নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ০৫ মার্চ ২০২৩ | 282 বার পঠিত | প্রিন্ট
বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দীন আহমদ বলেন, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে বলে থাকি প্রসপেক্টাসসহ সব জায়গায় আমরা লিখে থাকি শেয়ারবাজার ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জেনে বুঝে বিনিয়োগ করা উচিত । কারণ এখানে অর্থায়নের একটা সরাসরি অত্যন্ত সংবেদনশীল সম্পর্ক রয়েছে। তাই জেনে বুঝে বিনিয়োগ করা উচিত ।
আরও দেখুন : ডিএসইর এই মুহুর্তের লেনদেন চিত্র
আজ (০৫ মার্চ) রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী “ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস, ইনভেস্টমেন্ট টেকনিকস এন্ড টুলস” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এম. সাইফুর রহমান মজুমদার,এফসিএ, এফসিএমএ। এছাড়া এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির প্রধান ও ডিজিএম সৈয়দ আল আমিন রহমান।
এ সময় তিনি আরও বলেন, “বিনিয়োগকারীদেরকে আমাদের সঠিক পরামর্শ ও নির্দেশিকা প্রদান করতে হবে।
যাতে তারা বিনিয়োগ করার সময় বিচার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
আপনারা (প্রশিক্ষণার্থীরা) যে পদাবলীতে আসীন রয়েছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পেশা বা প্রেক্ষাপট। যেখানে থেকে আপনারা ইনভেষ্টমেন্ট এনালাইসিস করেন।
ড. শেখ শামসুদ্দীন আহমদ বলেন, আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে আপনাদের পরামর্শ অনুসারে সেটাকে বিশ্বাস করেই আমরা নতুন কোম্পানিকে অনুমোদন দিচ্ছি।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যারা এখানে শেয়ার বিনে, বন্ড কিনে বা অন্য প্রডাক্টে বিনিয়োগের মাধ্যমে পুঁজির সরবরাহ করছে।
তাদেরকে আপনাদের বিশ্লেষণ বা এনালাইসিসটাই কি বলছে কোনটা গ্রহণযোগ্য।
অর্থাৎ আপনি বিনিয়োগকারীদের যে প্রক্রিয়ায় গাইড করবেন তা তাদের বিনিয়োগ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও পরামর্শের ভিত্তিতে আমরাও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকি।
আর তাই আপনাদের একটা বিশাল দায়িত্ব রয়েছে যে, যখন কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিনিয়োগ করা যেতে পারে বলা হয়- সেক্ষেত্রে জানতে হবে যে, কখন বলা যেতে পারে বিনিয়োগ করা যাবে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আমাদের যোগ্য রিসোর্স পারসনদের ঊক্তব্য এবং শুধু বই পুস্তক নয়। এবং এর বাইরেও অনেক তর্থ-উপাত্ত রয়েছে যা আপনাদের জানতে হবে।
অডিটরের গেন রির্পোটের উপর ভিত্তি করে ক্রেডিট রেটিং কোম্পানীগুলো রেটিং করছে। তারা সকলে রিলেটেড প্রসেসর। এই প্রসেস বিল্ডিংটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সঠিক অডিটরের মাধ্যমে অডিট করতে হবে, যাতে কোন অসঙ্গতি ধরা না পড়ে।
সঠিক তথ্য উপাত্ত প্রদানের মাধ্যমে যেকোন কোম্পানিকে মূল্যায়ণের ক্ষেত্রে অডিটর রির্পোট মেনে চলতে হবে।
আর তাই এক্ষেত্রে ইন্টারনাল ফাইন্যান্স, অডিটর বা অডিট রেটিং কোম্পানির বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
আরও পড়ুন : ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবুকে ডিএসই’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত
শেয়ারবাজার২৪
Posted ১১:২১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৫ মার্চ ২০২৩
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.